সংবাদ শিরোনাম
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস আরা’র ইন্তেকাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় বিয়ে করতে লাগবে না স্ত্রীর অনুমতি: হাইকোর্ট ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬।। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ব্রাহ্মণবাড়িয়া-০৪ আসনে দুইজনকে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন।। প্রার্থী নিয়ে বিভ্রান্তিতে কর্মী সমর্থকরা মৌলভীবাজার–৪ আসনঃ কমলগঞ্জে বিএনপি প্রার্থী হাজী মুজিবের মনোনয়নপত্র দাখিল আগামী পহেলা জানুয়ারি থেকে যেসব সিমকার্ড বন্ধ হয়ে যাবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা মহিলা দলের সিনিয়র সহসভাপতি আয়েশা খাতুনের ইন্তেকাল মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া উন্নয়ন ফোরাম এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক আসিফুর রহমান খুনি দাঙ্গাবাজ ও মাদককারবারীসহ সকল অপরাধীদের দমনে জেলা পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে : নবাগত পুলিশ সুপার শাহ্ মোঃ আবদুর রউফ
লাখ টাকার অপারেশন বিনামূল্যে করলেন ডা. সোলায়মান

লাখ টাকার অপারেশন বিনামূল্যে করলেন ডা. সোলায়মান

স্টাফ রিপোর্টার//সময়নিউজবিডি
দীর্ঘদিন যাবত হাড় ভাঙ্গাসহ জটিল রোগে ভুগছেন রাসেল মিয়া (২২)। রাসেল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরের পাহাড়পুরের হতদরিদ্র পরিবারের সদস্য। টাকার অভাবে সঠিক সময়ে উন্নত চিকিৎসা নিতে পারেননি। শারীরিক অবস্থার বেশ অবনতি ঘটে। অবশেষে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালের ট্রমা সার্জন ডা. মো. সোলায়মানের দারস্থ হলেন।
মানবতার কল্যানে ও হতদরিদ্র রাসেলের কথা ভেবে বিনামূল্যে লাখ টাকার অপারেশন করলেন মানবিক চিকিৎসক বিশেষজ্ঞ ট্রমা সার্জন ডা. মো. সোলায়মান। অপারেশনের পর জেলা সদর হাসপাতালে প্রায় ৩ দিন ধরে চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন ওই যুবক। তার দেখবালও করছেন ওই চিকিৎসক।

ট্রমা সার্জন ডা. মো. সোলায়মান জানান, রাসেল ক্রনিক অস্টিওমায়েলাইটিস রোগে ভুগতেছিল। “ইলিজারভ এক্সটার্নাল ফিক্সেটর” অপারেশনটি খুব ব্যয়বহুল। যার অর্থ যোগাড় করা রাসেলের পক্ষে সম্ভব ছিল না৷ মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে রাসেলের ডান পায়ের অপারেশনটি বিনামূল্যে ট্রমা জেনারেল হাসপাতালে করেছি। অপারেশনের পর রাসেলকে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি দিয়েছি। প্রতিদিন সকালে রাউন্ডে গিয়ে রাসেলের খোঁজ খবর নিচ্ছি। এর আগেও ৯০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার কোমড়ের অপারেশন বিনামূল্যে করেছি। অনেক রোগীকে ফ্রিতে চিকিৎসা দিয়েছে। আমি চিকিৎসক হিসেবে অতটুকু দায়বদ্ধতা থাকে।
হতদরিদ্র রাসেল আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, হতদরিদ্র পরিবারে আমার জন্ম। টাকার অভাবে সময় মত পায়ের চিকিৎসা করতে পারেনি। এর আগেও স্যার আমাকে চিকিৎসা দিয়েছিলেন, কিন্তু আমার অবহেলার কারনে সুস্থ হয়নি। শেষমেশ আবার আমি স্যারের কাছে আসি। স্যার টাকা ছাড়ায় আমার ডান পায়ের অপারেশন করে দিলেন। স্যার পাশে না থাকলে লাখ টাকা অপারেশন করার সামর্থ্য আমার হতো না। স্যারের উপকার কোনদিন ভুলবো না। স্যারের জন্য দোয়া করি।
ইনাম/সময়নিউজবিডি টুয়েন্টিফোর।

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Somoynewsbd24.Com