সংবাদ শিরোনাম
বাঙালী সংস্কৃতির বর্ণিল আয়োজনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় উদযাপিত হলো বাংলা নববর্ষ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বৈশাখী উৎসব উদযাপনে সাহিত্য একাডেমির সপ্তাহব্যাপী ব্যাপক আয়োজন জামিনে কারামুক্ত হলেন জাতীয় সংসদ’র সাবেক স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হামে আক্রান্ত হয়ে এক শিশু মৃত্যু দলীয় পদ থেকে সরে যাচ্ছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি যুদ্ধ বন্ধ করতে ছয় শর্ত জুড়ে দিলেন শহীদ খামেনির ইরান ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রতিবাদ জানিয়ে পদত্যাগ করলেন মার্কিন কাউন্টার-টেরোরিজম প্রধান জো কেন্ট খাল-নদী ও বিল দখলকারীদের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচিত কমিটিকে দায়িত্ব হস্তান্তর।। সভাপতি দানা, সম্পাদক সাহেদ ও যুগ্মসম্পাদক মোফাজ্জল কসবায় ইফতার মাহফিলে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ।। ইফতার অনুষ্ঠান পন্ড
লাখ টাকার অপারেশন বিনামূল্যে করলেন ডা. সোলায়মান

লাখ টাকার অপারেশন বিনামূল্যে করলেন ডা. সোলায়মান

স্টাফ রিপোর্টার//সময়নিউজবিডি
দীর্ঘদিন যাবত হাড় ভাঙ্গাসহ জটিল রোগে ভুগছেন রাসেল মিয়া (২২)। রাসেল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরের পাহাড়পুরের হতদরিদ্র পরিবারের সদস্য। টাকার অভাবে সঠিক সময়ে উন্নত চিকিৎসা নিতে পারেননি। শারীরিক অবস্থার বেশ অবনতি ঘটে। অবশেষে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালের ট্রমা সার্জন ডা. মো. সোলায়মানের দারস্থ হলেন।
মানবতার কল্যানে ও হতদরিদ্র রাসেলের কথা ভেবে বিনামূল্যে লাখ টাকার অপারেশন করলেন মানবিক চিকিৎসক বিশেষজ্ঞ ট্রমা সার্জন ডা. মো. সোলায়মান। অপারেশনের পর জেলা সদর হাসপাতালে প্রায় ৩ দিন ধরে চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন ওই যুবক। তার দেখবালও করছেন ওই চিকিৎসক।

ট্রমা সার্জন ডা. মো. সোলায়মান জানান, রাসেল ক্রনিক অস্টিওমায়েলাইটিস রোগে ভুগতেছিল। “ইলিজারভ এক্সটার্নাল ফিক্সেটর” অপারেশনটি খুব ব্যয়বহুল। যার অর্থ যোগাড় করা রাসেলের পক্ষে সম্ভব ছিল না৷ মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে রাসেলের ডান পায়ের অপারেশনটি বিনামূল্যে ট্রমা জেনারেল হাসপাতালে করেছি। অপারেশনের পর রাসেলকে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি দিয়েছি। প্রতিদিন সকালে রাউন্ডে গিয়ে রাসেলের খোঁজ খবর নিচ্ছি। এর আগেও ৯০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার কোমড়ের অপারেশন বিনামূল্যে করেছি। অনেক রোগীকে ফ্রিতে চিকিৎসা দিয়েছে। আমি চিকিৎসক হিসেবে অতটুকু দায়বদ্ধতা থাকে।
হতদরিদ্র রাসেল আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, হতদরিদ্র পরিবারে আমার জন্ম। টাকার অভাবে সময় মত পায়ের চিকিৎসা করতে পারেনি। এর আগেও স্যার আমাকে চিকিৎসা দিয়েছিলেন, কিন্তু আমার অবহেলার কারনে সুস্থ হয়নি। শেষমেশ আবার আমি স্যারের কাছে আসি। স্যার টাকা ছাড়ায় আমার ডান পায়ের অপারেশন করে দিলেন। স্যার পাশে না থাকলে লাখ টাকা অপারেশন করার সামর্থ্য আমার হতো না। স্যারের উপকার কোনদিন ভুলবো না। স্যারের জন্য দোয়া করি।
ইনাম/সময়নিউজবিডি টুয়েন্টিফোর।

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Somoynewsbd24.Com