সংবাদ শিরোনাম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন পালন করলো ছাত্রলীগ জাতীয় মহিলা সংস্থার উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রীর ৭৬তম জন্মবার্ষিকী পালিত কমলগঞ্জে যুবলীগের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন পালন বিজয়নগরে শিক্ষার্থীর রহস্যজনক আত্মহত্যার ঘটনায় আদালতে মামলা।। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান সহপাঠীরা কমলগঞ্জে পুবালী ব্যাংক’র এটিএম বুথের উদ্বোধন চীফ জুডিসিয়াল আদালতে প্রাঙ্গণে জেলা ও দায়রা জজ বেগম শারমিন নিগারের উপস্থিতিতে বিপুল পরিমাণের মাদক ধ্বংস ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডাচ্-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড ক্যাম্পেইন-২০২২ ও ঋণ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত সরাইলে বিশ্ব নদী দিবস পালিত হয়েছে নবীনগরে পুকুরের পানি থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার অবৈধ অনুপ্রবেশ।। কারাভোগ শেষে নিজ দেশে ফিরলেন ভারতীয় যুবক

পিঠে বড়শি গেঁথে শূন্যে ঘুরলেন এক নারী

পিঠে বড়শি গেঁথে শূন্যে ঘুরলেন এক নারী

Advertisements

ঠাকুরগাঁও সংবাদদাতা, সময়নিউজবিডি  

পিঠে বড়শি গেঁথে শূন্যে ঘুরালেন এক বিস্ময়কর নারীকে। চৈত্রসংক্রান্তি উপলক্ষে ৪২ বছর বয়সী রিতা রাণী দাশকে সুউচ্চ শিমুল গাছে দড়ি ঝুলিতে চড়কি শূন্যে ঘোরানো হয়েছে।

এ সময় ঢাকঢোলের বাজনা ও পূজা অচর্না করে পূজারিরা। আর দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে এ দৃশ্য দেখত সব ধর্মের হাজারো মানুষ।

শুক্রবার সন্ধ্যায় ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার জনগাঁও গুচ্ছ গ্রাম এলাকায় চড়ক উৎসবকে কেন্দ্র করে এ আয়োজন করা হয়।

উৎসব কমিটির সভাপতি আশীষ বর্মা বলেন, প্রতিবছর চৈত্র শেষে বৈশাখের শুরুতে এ আয়োজন করেন তারা। অন্য বছরে পুরুষ দিয়ে শূন্যে ঘুরানো হয়।

তবে তিনি বলেন বিষয়টি অমানবিক! কিন্তু মানুষ যে অসাধ্যকে সাধন করতে পারে তা সদৃশ্য করতে এই আয়োজন তাদের।

বিস্ময়কর নারী রিতা রাণী দাশ বলেন, অসাধ্যকে তিনি সাধন করেছেন বাবার উৎসাহে। এই কর্মে ভয় ও কষ্ট দুই জয় করতে পেরে তিনি গর্বিত।

তিনি বলেন, ২০০৮ সালে তার এই যাত্রা শুরু হয়। তার বাবা ক্ষিতিশ চন্দ্র রায়ের এটা একধরনের নেশা এবং পড়ে এটা পেশায় পরিণত হয়।

ষাটোর্ধ্ব বয়সী ক্ষিতিশ চন্দ্র রায় জানান, প্রতি বছর চৈত্রসংক্রান্তিতে এ দুঃসাহসী খেলা দেখিয়ে তিনি ৩৫-৪০ হাজার টাকা আয় করেন। পরে অন্য কাজে জড়িয়ে পড়েন। এভাবে চলে তাদের জীবন সংসার।

রাণীশংকৈল উপজেলার রাতোর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান শরৎ চন্দ্র রায় বলেন, হিন্দুধর্মে চড়ক পূজা বিষয়ে তেমন বাধ্যবাধকতা নেই। এটি অমানবিক।

তিনি আরও বলেন, ১৪৮৫ সালে সুদবানন্দ ঠাকুর নামে এক রাজা এই পূজা শুরু করেন। তবে ব্রিটিশ সরকার তা নিষিদ্ধ করেন। এর কারণ এটি নির্মম ও নির্দয়।

সাঁওতাল সম্প্রদায়ের এক নারী সোনালী হেমব্রন বলেন, কথিত পূজার নামে মানুষ নিয়ে চলছে প্রভাবশালীদের আনন্দযজ্ঞ।

ইনাম/সময়নিউজবিডি টুয়েন্টিফোর।  

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© All rights reserved © 2017 Somoynewsbd24.Com