সংবাদ শিরোনাম
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস আরা’র ইন্তেকাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় বিয়ে করতে লাগবে না স্ত্রীর অনুমতি: হাইকোর্ট ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬।। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ব্রাহ্মণবাড়িয়া-০৪ আসনে দুইজনকে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন।। প্রার্থী নিয়ে বিভ্রান্তিতে কর্মী সমর্থকরা মৌলভীবাজার–৪ আসনঃ কমলগঞ্জে বিএনপি প্রার্থী হাজী মুজিবের মনোনয়নপত্র দাখিল আগামী পহেলা জানুয়ারি থেকে যেসব সিমকার্ড বন্ধ হয়ে যাবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা মহিলা দলের সিনিয়র সহসভাপতি আয়েশা খাতুনের ইন্তেকাল মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া উন্নয়ন ফোরাম এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক আসিফুর রহমান খুনি দাঙ্গাবাজ ও মাদককারবারীসহ সকল অপরাধীদের দমনে জেলা পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে : নবাগত পুলিশ সুপার শাহ্ মোঃ আবদুর রউফ
আজ ৬ ডিসেম্বর আখাউড়া মুক্ত দিবস

আজ ৬ ডিসেম্বর আখাউড়া মুক্ত দিবস

স্টাফ রিপোর্টার//সময়নিউজবিডি 
আজ ৬ ডিসেম্বর রোববার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া মুক্ত দিবস। দিবসটি উদযাপনে বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহন করেছে আখাউড়া উপজেলা প্রশাসন, আখাউড়া পৌরসভা, আখাউড়া মুক্ত দিবস বাস্তবায়ন কমিটি ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড। 

১৯৭১ সালে ৭ মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণের পর থেকে আখাউড়ার সর্বস্তরের জনগণ মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন। মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য দেশ প্রেমিক জনতা, বুদ্ধিজীবী, ছাত্র, যুবক, শ্রমিকসহ সর্বস্তরের জনগণের উপস্থিতিতে আখাউড়ায় গঠন করা হয় সর্ব দলীয় সংগ্রাম পরিষদ। ওই পরিষদের নেতৃত্বে ছিলেন কাজী ওয়াহেদুর রহমান লিলু মিয়া।
এস ফোর্সের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল সফিউল উল্লাহ তত্ত্বাবধানে এই যুদ্ধ চলতে থাকে। ৩০ নভেম্বর ও পহেলা ডিসেম্বর আখাউড়ার উত্তরে সীমান্তবর্তী আজমপুর,রাজাপুর, সিঙ্গারবিল, মিরাশানি এলাকায় পাকিস্তানী বাহিনীর সাথে মুক্তিবাহিনীর যুদ্ধ হয়। টানা ৩ দিন চলে এই যুদ্ধ।  এই যুদ্ধ অন্তত ৩৫ পাক সেনা নিহত হয়। বন্দী করা হয় ৫ জনকে। মুক্তি বাহিনীর নায়েক সুবেদার আশরাফ আলী খান এ সময় শহীদ হন। আহত হয় অনেক মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিযোদ্ধাদের মারমুখি আক্রমনে পাক বাহিনী দাঁড়াতে পারেনি। তারা তখন পিছু হটতে শুরু করে।
৩ ডিসেম্বর রাতে মুক্তিবাহিনী আজমপুরে অবস্থান নিলে সেখানেও যুদ্ধ হয়। ওই যুদ্ধে পাক হানাদার বাহিনীর ১১জন সেনা নিতহ হয়। মুক্তিবাহিনীর ২ সিপাহী ও ১ নায়েক সুবেদার শহীদ হন। 
৪ এবং ৫ ডিসেম্বর অবিরাম যুদ্ধে পাক হানাদার বাহিনীর প্রায় ১৭০ জন সেনা নিহত হয়। তখন গোটা আখাউড়া এলাকা মুক্তিবাহিনীর নিয়ন্ত্রনে চলে আসে। ৬ ডিসেম্বর আখাউড়া  পুরোপুরি হানাদার মুক্ত হয়।
আখাউড়ার খরমপুর, দেবগ্রাম, তারাগন, নয়াদিল, দর“ইন, টানমান্দাইল, গঙ্গাসাগর, কর্ণেল বাজার, মনিয়ন্দসহ বিভিন্ন স্থানে পাকিস্তানী বাহিনীর সাথে মুক্তিবাহিনীর যুদ্ধ হয়। বীর শ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল আখাউড়া দর“ইনের মাটিতেই শহীদ হন। 
আখাউড়া মুক্ত হওয়ার পর আখাউড়ার প্রধান ডাকঘরের সামনে সর্ব প্রথম বাংলাদেশের লাল সবুজ পতাকা উত্তোলন করেন মুক্তিযুদ্ধের পূবার্ঞ্চলীয় জোনের প্রধান জহুর আহমেদ চৌধুরী। এসময় উপস্থিত ছিলেন মেজর আইন উদ্দিনসহ মিত্র বাহিনীর অফিসার ও সৈনিকগন। দিবসটি উদযাপনে বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহন করেছে আখাউড়া উপজেলা প্রশাসন, আখাউড়া পৌরসভা, আখাউড়া মুক্ত দিবস বাস্তবায়ন কমিটি ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড। 

কর্মসূচীর মধ্যে শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় আখাউড়া উপজেলা প্রশাসন ও আখাউড়া মুক্ত দিবস বাস্তবায়ন কমিটির উদ্যোগে বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট সিরাজুল হক মুক্ত মঞ্চে মোমবাতি প্রজ্জলন। রোববার সকাল ১০টায় আখাউড়া কেন্দ্রীয় স্মৃধিসৌধে পুষ্পস্তক অর্পন ও সকাল সোয়া ১০টায় আখাউড়া পোষ্ট অফিসের সামনে  জাতীয় পতাকা উত্তোলন।
ইনাম/সময়নিউজবিডি টুয়েন্টিফোর। 

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Somoynewsbd24.Com