সংবাদ শিরোনাম
সাইলোর মতো খাদ্যভান্ডার ছিলো বলে আমরা করোনা ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মতো সমস্যা গুলো অতিক্রম করতে পেরেছি; খাদ্য মন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে শেরপুরে বাড়ছে নদ-নদীর পানি তিস্তাপাড়ের ২ হাজার পরিবার পানিবন্দি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৃথক স্থানে বজ্রপাতে দু’জন নিহত আশুগঞ্জে মাদক সেবন নিয়ে বাক-বিতন্ডার জেরে যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা পুলিশের উপর হিজড়াদের হামলা গ্রেফতার ৪ মাহিন্দ্র ট্রাক্টারের স্প্রিংয়ে গলা আটকে কৃষকের মৃত্যু বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক কাবাডি টুর্নামেন্টে টানা চতুর্থবার চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ মুজিব মুর‍্যালে শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে ইবি বঙ্গবন্ধু পরিষদের কার্যক্রম শুরু সরাইলে ভূমি ও গৃহের দাবীতে ভূমিহীনদের মানববন্ধন

চান্দুরা-আখাউড়া সড়কের সংস্কার কাজ শেষ পর্যায়ে।। জনমনে স্বস্তি 

চান্দুরা-আখাউড়া সড়কের সংস্কার কাজ শেষ পর্যায়ে।। জনমনে স্বস্তি 

জিয়াদুল হক বাবু//স্টাফ রিপোর্টার,সময়নিউজবিডি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার প্রধান সড়ক চান্দুরা-আখাউড়া সড়কের সংস্কারকাজ শেষ পর্যায়ে। ফলে জনমনে স্বস্তি দেখা দিয়েছে।উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের হাজার হাজার লোক খানাখন্দে ভাঙ্গাচুরা রাস্তা দিয়ে দীর্ঘদিন যাবত কষ্ট করে চলাফেরা করে আসছিল এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ও বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে এই রাস্তা সংস্কারের নানা রকম দুর্ভোগ এর নিউজ প্রকাশিত হয়েছে। ফলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (বিজয়নগর ও সদর) আসনের সাংসদ ও জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপির সহায়তায় ২০১৯ সালের জুন মাসে প্রায় ৪১ কোটি ৭৮ লক্ষ টাকার চান্দুরা টু আখাউড়া সড়কের সংস্কারকাজ এর ২ টি  টেন্ডার হয়। চান্দুরা থেকে সিংগারবিল পর্যন্ত ১৭ কিলোমিটার রাস্তার কাজ প্রায় ২০ কোটি টাকা  এবং আখাউড়া সড়কের জন্য ২১ কোটি টাকার টেন্ডার হয়। এসময় টেন্ডারে মেসার্স মৈত্রী বিল্ডার্স কাজটি পেয়ে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে ২ বছরের কার্যাদেশ নিয়ে কাজটি শুরু করে প্রথম মাসেই চান্দুরা থেকে আমতলী বাজার পর্যন্ত কাজটি সম্পন্ন করেন। পরে বাজেট স্বল্পতা ও আমতলী বাজারের কিছু অংশে মামলা জটিলতা থাকায় কয়েক মাস কাজ বন্ধ থাকে। পরে টিকাদারী প্রতিষ্টানকে ২০২২ সালের ৩১ শে মে পর্যন্ত ৬ মাসের কার্যাদেশ বাড়িয়ে দেয়া হয়। এর মধ্যে ২০২১ সালে টিকাদারী প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী কাজী জাহিদুল ইসলাম করোনায় মৃত্যুবরন করেন।পরে তার ছেলে প্রতিষ্ঠানের সুনাম ধরে রাখার জন্য কাজটি দ্রুত গতিতে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী আনিছুর রহমান বলেন, কাজটি দ্রুত গতিতে করা হচ্ছে  এবং প্রায় ৮০% কাজ শেষ হয়েছে। কাজের মান খুব ভাল হচ্ছে প্রায় ৩ বছরের আগের চান্দুরা অংশের কাজ করা হয়েছে এখন পর্যন্ত কোন সমস্যা দেখা দেয়নি।
এ ব্যাপারে টিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কাজী শাহরিয়ার মাহি বলেন, আমার বাবা কাজ চলাকালীন মারা গেছে। তার পরেও প্রতিষ্ঠান এবং মানুষের ভোগান্তির কথা চিন্তা করে এবং যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি বার বার তাগাদা দেওয়ায় দ্রুত গতিতে কাজ করে যাচ্ছি। কাজের মান শতভাগ ভাল করা হচ্ছে এবং সময় মতো বিল দিলে আমরা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজটি শেষ করে দিবো।
ইনাম/সময়নিউজবিডি টুয়েন্টিফোর।

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Somoynewsbd24.Com