সংবাদ শিরোনাম
মা থাকার ঐশ্বর্যে সম্পদে সৌভাগ্যবান; আল আমীন শাহীন কমলগঞ্জে বিএমইটি বৃত্তি পরীক্ষা শুরু বিজয়নগরে বাসের ধাক্কায় এক বৃদ্ধ নিহত গণতন্ত্রের পথে নারী জাগরণের পথিকৃৎ; আবুল কালাম আজাদ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় র‍্যাবের অভিযানে তিন শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার সম্প্রীতির বন্ধন; দূর্গোৎসবে শুভেচ্ছা উপহার হুইল চেয়ার পেলেন শারিরীক প্রতিবন্ধী হালিমা বেগম উচালিয়াপাড়া সার্বজনীন দুর্গাপূজা উদ্‌যাপন পরিষদ এর নারায়নী নমস্তুত দুর্গাপূজা এক্সেলেন্স অ্যাওয়ার্ডস ২০২২ অর্জন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কুমারী পূজার মধ্যদিয়ে পালিত হলো দুর্গোৎসবের মহা অষ্টমী সরাইলে ১০ হাজার টাকার জন্য গৃহবধূ খুন! শাশুরী আটক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের উপর হামলা মামলায় ১০ জনের কারাদণ্ড

১৯৯৬ সালে আ’লীগ ক্ষমতায় না আসলে এখনো মুরাদ বিএনপির রাজনীতিই করতেন

১৯৯৬ সালে আ’লীগ ক্ষমতায় না আসলে এখনো মুরাদ বিএনপির রাজনীতিই করতেন

Advertisements
কথাগুলো অনেকের কাছে খাপছাড়া মনে হতে পারে। তবুও কিছু সমীকরণ মিলাবো। ডা. মুরাদ হাসানের গত কয়েক মাসের কর্মকাণ্ডের বিশ্লেষণ করলে কিছু বিষয় পরিষ্কার হওয়া যাবে। তিনি রাষ্ট্র ধর্ম নিয়ে কথা বলেছেন। তার এই বক্তব্যের সাথে আমার মত অসাম্প্রদায়িক চেতনার অনেকেই একমত। তবুও এই সময়ে, কোনো ইস্যু ছাড়া হঠাৎ করে তার এই বক্তব্য দেয়ার কারণ কি? যখন দেশে জঙ্গি ও সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী আন্দোলন চলছে। এইখানে তিনি মোল্লাদের খেপিয়েছেন।
বেগম জিয়ার পর বিএনপির নেতৃত্বে কে আসবেন- এটা এখন খুবই আলোচিত বিষয়। দলের একটি গ্ৰুপ ছাড়া পুরা জাতির কাছেই তারেক রহমান চরম বিতর্কিত ব্যক্তি। কর্মকাণ্ডে তার আর মুরাদের মধ্যে খুব একটা পার্থক্য নেই। ভাবা হচ্ছিলো তারেক রহমানের বৌ ডা. জুবাইদা হয়তো বিএনপির হাল ধরবেন। কিন্তু তিনিও অনিচ্ছুক। সেই জন্যেই কি চরম অশ্লীল মন্তব্য করে জাইমা রহমানকে লাইম লাইটে নিয়ে আসার চেষ্টা? তার প্রতি নারীদের সহানুভূতি তৈরি করা? এইখানে তিনি বিএনপি এবং নারীদের বিক্ষুব্ধ করেছেন।
তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে বাজে মন্তব্য করেছেন। ছাত্রী হলের মেয়েদেরকে নিয়ে অপ্রীতিকর মন্তব্য করেছেন। যে বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বয়ং বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গবন্ধু কন্যা পড়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খেপলে কি হয় তা মি. মুরাদ খুব ভালো করেই জানেন। আর এর সাথে যদি মেয়েরা মাঠে নামে’তো কোনো কথাই নেই। এই খানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খেপিয়েছেন।
এরপর তিনি হয়তো সিরিয়ালি হাইকোর্ট তথা আইনজীবী এবং প্রেসক্লাব তথা সাংবাদিকদের নিয়ে বাজে মন্তব্য করতেন। এই সকল গোষ্ঠীকে বিক্ষুব্ধ করতে পারলে সরকারের পতন ঘটাতে আর কিছু লাগে না। একজন চিত্র নায়িকার সাথে চরম আপত্তিকর কথাগুলো তিনি বলেছেন দুই বছর আগে। দুপক্ষের কেউই এটা রেকর্ড করে অনলাইনে ছাড়েননি। তাহলে কিভাবে বাইরে আসলো ? একটু মাথা খাটান। উত্তর পেয়ে যাবেন। সরকারের আরও সর্বনাশ করার আগেই ধরা খেয়েছেন। সরকারকে বিনাশ করতে গিয়ে নিজেই বিনাশ হয়ে গেছেন। কপালে হয়তো আরও শনি আছে।
মনে রাখা দরকার ডা. মুরাদ একসময়ের ছাত্রদল নেতা। কিন্তু তার বাবা মতিউর রহমান তালুকদার বঙ্গবন্ধুর সাথে রাজনীতি করেছেন। ওই পরিবারের সন্তান হয়ে মুরাদের রাজনীতি শুরু ছাত্রদল দিয়ে। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় না এলে হয়তো তিনি এখন বিএনপির রাজনীতিই করতেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উপ-প্রেস সচিব আশরাফুল আলম খোকন এর ফেসবুক পেইজ থেকে সংগৃহীত। 

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© All rights reserved © 2017 Somoynewsbd24.Com