সংবাদ শিরোনাম
সাইলোর মতো খাদ্যভান্ডার ছিলো বলে আমরা করোনা ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মতো সমস্যা গুলো অতিক্রম করতে পেরেছি; খাদ্য মন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে শেরপুরে বাড়ছে নদ-নদীর পানি তিস্তাপাড়ের ২ হাজার পরিবার পানিবন্দি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৃথক স্থানে বজ্রপাতে দু’জন নিহত আশুগঞ্জে মাদক সেবন নিয়ে বাক-বিতন্ডার জেরে যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা পুলিশের উপর হিজড়াদের হামলা গ্রেফতার ৪ মাহিন্দ্র ট্রাক্টারের স্প্রিংয়ে গলা আটকে কৃষকের মৃত্যু বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক কাবাডি টুর্নামেন্টে টানা চতুর্থবার চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ মুজিব মুর‍্যালে শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে ইবি বঙ্গবন্ধু পরিষদের কার্যক্রম শুরু সরাইলে ভূমি ও গৃহের দাবীতে ভূমিহীনদের মানববন্ধন

সরাইলে ধর্মতীর্থ এলাকায় দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়

সরাইলে ধর্মতীর্থ এলাকায় দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়

সরাইল প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে ঈদের দিন বিকাল থেকে সরাইল নাসিরনগর লাখাই হবিগঞ্জ আ লিক সড়কে সরাইল ধর্মতীর্থ এলাকায় (মিনি কক্সবাজার নামে ক্ষেত) দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। বিকাল থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত রাস্তায় প্রচন্ড জ্যাম হাজার হাজার দর্শনার্থী। সরাইল নাসিরনগর লাখাই আ লিক সড়কে সরাইল বিজিবি সদর দপ্তরের প্রথম গেইট থেকে শুরু করে ধুরন্তী ব্রিজ পর্যন্ত রাস্তায় প্রচুর যানযট। ঈদের ছুটিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিভিন্ন উপজেলা ছাড়াও কিশোরগঞ্জের ভৈরব, মিঠামঈন, নাছিরনগর, নরসিংদী, হবিগঞ্জ থেকে মানুষ ঘুরতে আসে সরাইলের মিনি কক্সবাজারে।হাফেজ আলী নেওয়াজ, ইব্রাহিম মৃধা ও জিহাদ আহমেদ নামের তিন বন্ধু মিলে সেখানে প্রথমবারের মতো গড়ে তুলছেন আধুনিক মানের একটি রিসোর্ট ও রেস্টুরেন্ট। এখানে ভ্রমণ পিপাসু মানুষের কোথাও বসার তেমন কোন ব্যাবস্থা না থাকায় ব্যক্তি উদ্যোগে গড়ে উঠেছে একটি ত্রীস্টার রিসোর্ট। রিসোর্ট এর মালিকরা জানিয়েছে তাদের কাজ শেষ হয় নি। সোমবার বিকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মানুষের উপচে পড়া ভীড়। রিসোর্টের সামনে থাকা নিরাপত্তা কর্মীরা জানান তাদের হিমসিম খেতে হচ্ছে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভীড়ের কারণে। তারা এখানে প্রবেশ মূল্য ধরেছেন ২০ টাকা। রিসোর্টের মালিক হাফেজ আলী নেওয়াজ জানান, সন্ধ্যা পর্যন্ত রিসোর্ট টিতে দর্শনার্থী প্রায় ১৫ হাজার ছাড়িয়েছে। রিসোর্টের কর্মচারীরা জানায়, তারা আজকে ক্রেতাদের খাবার দিয়ে তারা কুলাতে পারছেন না। আজকে খাবার প্রায় শেষ, তারা যা ধারণা করছিলেন এর বাইরে বিক্রি হয়েছে। রিসোর্টিতে এক সংগে ১২৮ জন বসতে পারেন। নামাজের জন্য রয়েছে আলাদা জায়গা।এখানে খাবারের তালিকায় রয়েছে দেশীয় নাস্তা, বাংলা-চাইনিজ খাবার, অ্যারাবিয়ান হেফসাসহ ভিন্ন স্বাদের খাবার। রাতের আলোক সজ্জায় পাল্টে দেয় গোটা সড়কের চিত্র। দর্শনার্থীরাও খুশি এমন একটি রিসোর্ট করায়। অনেকেই বলছিলেন এমন আরো কয়েকটি এই ধরনের রিসোর্ট করলে দর্শনার্থী আরো বাড়বে।স্থানীয় অনেকেই বলছিলেন, তারা এখানে ঘুরতে এসে খুব ভালো লাগছে তাদের কাছে। তারা এখানে এমন আরো অনেক রেস্টুরেন্টর্ হবে বলে তারা আশা করছেন।

ইনাম/সময়নিউজবিডি টুয়েন্টিফোর।

 

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Somoynewsbd24.Com