সংবাদ শিরোনাম
এবার কাউন্সিলর হিসেবে ইন ও আউট হলেন যারা নাছিমার সাথে দ্বন্দ্বে ৮ মাস না পেরোতেই বান্দরবান বদলী বিজয়নগরের ইউএনও আরাফাত নাসিরনগরে অগ্নিকান্ডে দুটি ঘর পুড়ে ভষ্মীভূত।। সাংসদের দুঃখ প্রকাশ ও আর্থিক সহায়তা প্রদানের আশ্বাস অনিয়ম দূর্নীতি প্রতিরোধে বিপুল ভোটে বিজয়ী নায়ার।। পৌরবাসীর নিরব ভোট বিপ্লব দ্বিতীয় বারের মতো মেয়র নির্বাচিত হলেন আ’লীগ মনোনীত নায়ার কবির বাঞ্ছারামপুরে মাকে খুন করলেন মাদকাসক্ত মেয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরু ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সেফটিক টাঙ্কি বিস্ফোরণে দেয়াল ভেঙ্গে আহত- ৫।। এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি।। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি দিনশেষে রাত পোহালেই ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভোট উৎসব।। শান্তি প্রতিষ্ঠাই হচ্ছে ভোটারদের লক্ষ্য ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জাতীয় বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসব প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
তিস্তার পানি আবারো বিপদসীমার ১৫ সে.মি. উপরে

তিস্তার পানি আবারো বিপদসীমার ১৫ সে.মি. উপরে

শাহিনুর ইসলাম প্রান্ত,লালমনিরহাট প্রতিনিধি

গত কয়েক দিনে তিস্তার পানি কমে গেলেও ফের বেড়ে বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে আবারো বড় বন্যার আশঙ্কা করছে তিস্তা তীরবর্তী মানুষরা। প্রচণ্ড গতিতে পানি বাংলাদেশের দিকে ধেয়ে আসছে। পানির গতি নিয়ন্ত্রণ করতে তিস্তা ব্যারেজের সব কয়টি গেট খুলে দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৪ জুলাই) বেলা ১২টায় দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারেজের ডালিয়া পয়েন্টে পানি প্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ৭৫ মিটার। যা স্বাভাবিক ৫২ দশমিক ৬০ মিটার। বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, উজানের পাহাড়ি ঢল ও ভারী বৃষ্টিতে তিস্তা নদীর পানি প্রবাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে লালমনিরহাটের পাঁচটি উপজেলার তিস্তা অববাহিকার চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলগুলো প্লাবিত হয়ে প্রায় দুই থেকে তিন হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
এসব অঞ্চল প্রায় এক সপ্তাহ বন্যায় পানিবন্দি থেকে সবেমাত্র মুক্তি পেয়েছে। বন্যার পানি নেমে যেতে না যেতেই ফের বন্যার আশঙ্কায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে তিস্তার চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলের মানুষ।
তিস্তার পানি প্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম, হাতীবান্ধার সানিয়াজান, গড্ডিমারী, সিন্দুর্না, পাটিকাপাড়া, সিংগিমারী, কালীগঞ্জ উপজেলার ভোটমারী, কাকিনা, আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা, সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ, রাজপুর ও গোকুন্ডা ইউনিয়নের তিস্তা নদীর চরাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পড়েছে। ফের পানিবন্দি হতে শুরু করেছে এসব এলাকার নিম্নাঞ্চলে বসবাসকারী পরিবারগুলো। এসব অঞ্চলে বিগত বন্যায় শুরু হওয়া ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম এখনো চলছে বলে দাবি করেছে জেলা প্রশাসন।
দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারেজের ডালিয়া পয়েন্টের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম বলেন, তিস্তার পানি প্রবাহ বেলা ১২টায় বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে জেলার নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলে বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। ব্যারেজ রক্ষার্থে সবগুলো জলকপাট খুলে দিয়ে পানি প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।’

ইনাম/সময়নিউজবিডি টুয়েন্টিফোর।

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Somoynewsbd24.Com