সংবাদ শিরোনাম
বঙ্গবন্ধুর ৭ ই মার্চের ভাষণের মধ্যদিয়ে স্বাধীনতাকামী মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল ; মোকতাদির চৌধুরী এমপি ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে মরলেন প্রেমিক, বেঁচে গেলেন প্রেমিকা বিজয়নগরে গৃহবধুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ।। ঘরে ঢুকে ভাংচুর ও ডাকাতি দলীয় প্রতীক মুক্ত স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দাবীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মানববন্ধন দিশারী সমাজ কল্যাণ সংসদের বার্ষিক বনভোজন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বিজয়নগরে এক মহিলার মরদেহ উদ্ধার কসবায় আইনমন্ত্রীকে দেখালেন কার শক্তি বেশী বিজয়নগরে ইউএনও আরাফাত ও গণপূর্তের প্রকৌশলীদের মধ্যে হাতাহাতি দ্বিতীয় মেয়াদে মেয়র নির্বাচিত হওয়ায় নায়ার কবিরকে জেলা কেন্দ্রীয় সমবায় কল্যান সমিতির ফুলেল শুভেচছা বিজয়নগরে আগামী ৭ মার্চ মুজিব ঢাকা ম্যারাথন
সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসের অনিয়ম দূর্নীতি থামছেই না // কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা ভুক্তভুগীদের

সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসের অনিয়ম দূর্নীতি থামছেই না // কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা ভুক্তভুগীদের

স্টাফ রিপোর্টার সময়নিউজবিডি

দূর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতিতে সারা দেশব্যাপী চলছে দূর্নীতি বিরোধী অভিযান। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে দূর্নীতি বিরোধী অভিযানে অনেক রাঘববোয়াল গ্রেপ্তার হয়েছে। এসব অভিযানের পরও ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসের অনিয়ম দূর্নীতির লাগাম ক্রমেই বেড়ে চলছে।
জানা যায়, সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসে সাব কাবলা, হেবা ঘোষনা, হেবাবিল এওয়াজ সহ যাবতীয় দলিলের ফরমেট নকল উত্তোলনের জন্য সরকারি ফি ৪ শত ৩৫ টাকা হলেও নেয়া হয় ৯শত ৩৫ টাকা। 
নরমাল (হাতে লেখা) নকলের সরকারী ফি ৫ শত ৩৫ টাকা হলেও নেয়া হয় ১ হাজার ৩৫ টাকা। 
সরকারি ফির নামে অতিরিক্ত টাকা গুলো ভাগবাটোয়ারা হয় সাব রেজিস্টার ৯০ টাকা, জেলা রেজিস্ট্রার ৯০ টাকা, দলিল লেখক সমিতি ৯৫ টাকা, রেকর্ড কিপার ৯০ টাকা, নকল নবিশ সমিতি ৫০ টাকা, হেড ক্লার্ক ২৫ টাকা, তল্লাশকারক সমিতি ২০ টাকা, ঝাড়ুদার ২০ টাকা, দলিল লেখক সমিতির সভাপতি ১০ টাকা ও সাধারন সম্পাদক ১০ টাকা করে প্রতি দলিলে মাসোহারা পান। 
এসব অপকর্মের বিষয়ে অফিসে কর্মরত কর্মচারী বা দলিল লেখক সমিতির কোন সদস্য প্রতিবাদ করলে তাদেরকে নানান ভাবে হয়রানি করেন এই চক্রটি।       
একটি সূত্র জানায়, প্রতি বছর ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসে ২০/২৫ হাজার নকল সরবরাহ করা হয়। এ হিসেব অনুযায়ী প্রতি বছর দলিলের নকল নিতে আসা জনসাধারণের কাছ থেকে অবৈধভাবে নেয়া হচ্ছে ২০ লাখ থেকে ২৫ লাখ টাকা।     
এদিকে আরেকটি সূত্র জানায়, সিসি লোনের ব্যাংক মরগেজ এর ঋনের জন্য নো অবজেকশন সার্টিফিকেট (এনওসি) বা অনাপত্তিপত্র নিতে সরকারি ফি ৩ শত ১৫ টাকা হলেও নেয়া হয় ১৫শত থেকে ২ হাজার টাকা। এই টাকা গুলো লেনদেন হয় তল্লাশকারকদের মাধ্যমে। যার ভাগবাটোয়ারা পান সাব রেজিস্টার, জেলা রেজিস্ট্রার, রেকর্ড কিপার। 
তল্লাশকারকগন প্রতি বছরের তল্লাশির জন্য গ্রাহকের কাছ থেকে নেন ১শত টাকা, কিন্তু এর সরকারি ফি হচ্ছে মাত্র ১৫ টাকা, সরকারি ফির নাম করে তল্লাশকারকরা গ্রাহকের কাছ থেকে অতিরিক্ত নেন ৮৫ টাকা যা পুরোটাই অবৈধ। 
এ ব্যাপারে জানতে সদর সাব রেজিস্টার মোস্তাফিজ আহমেদ এর মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিয়েও কলটি রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া যায়নি।
এছাড়াও জমির শ্রেনী পরিবর্তন করে সরকারের রাজস্ব ফাঁকিরও অভিযোগ রয়েছে সাব রেজিস্টার সহ অনেক কর্মচারী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে।                  
সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসের আরো অপকর্মের অপরাধ দূর্নীতির খবর জানতে সময়নিউজবিডি টুয়েন্টিফোর ডটকম এর সঙ্গেই থাকুন।

   
ইনাম//সময়নিউজবিডি টোয়েন্টিফোর।                              

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Somoynewsbd24.Com