সংবাদ শিরোনাম
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-০৪ আসনে দুইজনকে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন।। প্রার্থী নিয়ে বিভ্রান্তিতে কর্মী সমর্থকরা মৌলভীবাজার–৪ আসনঃ কমলগঞ্জে বিএনপি প্রার্থী হাজী মুজিবের মনোনয়নপত্র দাখিল আগামী পহেলা জানুয়ারি থেকে যেসব সিমকার্ড বন্ধ হয়ে যাবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা মহিলা দলের সিনিয়র সহসভাপতি আয়েশা খাতুনের ইন্তেকাল মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া উন্নয়ন ফোরাম এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক আসিফুর রহমান খুনি দাঙ্গাবাজ ও মাদককারবারীসহ সকল অপরাধীদের দমনে জেলা পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে : নবাগত পুলিশ সুপার শাহ্ মোঃ আবদুর রউফ বিজয়নগরে স্কুলের আয়-ব্যয়ের হিসাব চাওয়াকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষ। দোকানপাট ও ব্যাংকে ভাংচুর লুটতরাজ।। আহত-২০ যারা এনেছিলেন মৃত্যুহীন প্রাণ।। আগামীকাল ৬ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী অধ্যাপক লুৎফুর রহমানের ৫৪তম শাহাদাত বার্ষিকী বিজয়নগরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে অটোচালককে পিটিয়ে হত্যা কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন।। সভাপতি শাওন, সাধারণ সম্পাদক আলম
ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবৈধ ওষুধ কোম্পানী সিলগালা।। দুই লাখ টাকা জরিমানা

ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবৈধ ওষুধ কোম্পানী সিলগালা।। দুই লাখ টাকা জরিমানা

স্টাফ রিপোর্টার//সময়নিউজবিডি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় “লরেল ভিস্তা” নামে একটি অনুমোদনহীন ওষুধ কোম্পানীকে সিলগালা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। গতকাল বুধবার বিকেলে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট পঙ্কজ বড়ুয়া উপজেলার নাটাই দক্ষিণ ইউনিয়নের কালিসীমা গ্রামের ওই কোম্পানীতে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন।পরে ভ্রাম্যমান আদালত ওই কোম্পানীর মালিক কামরুল হাসান চকদারকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করেন এবং ওষুধ বানানোর বেশ কিছু সরঞ্জামাদি জব্দ করেন। 
ভ্রাম্যমান আদালত সূত্রে জানা গেছে, জেলার নাসিরনগর উপজেলার কামরুল হাসান চকদার নামে এক ব্যক্তি কালিসীমা গ্রামের একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে “লরেল ভিস্তা” নামে গবাদী পশুর একটি ওষুধ কোম্পানী গড়ে তুলেন। সেখানে তৈরি হতো অনুমোদনহীন ৪৯ ধরণের ওষুধ। ওই ওষুধ কোম্পানীতে নেই কোন কেমিস্ট। ওষুধ কোম্পানির একসময়কার বিক্রয় প্রতিনিধিই বানাতেন এসব ওষুধ। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট পঙ্কজ বড়ুয়া জানান, লোক চক্ষুর আড়ালে ওই বাড়িতে গবাদি পশুর ওষুধ বানাতেন কামরুল হাসান চকদার। এতে বাজার থেকে পাওয়া চাহিদা অনুযায়ি ৪৯ ধরণের ওষুধ বানানো হতো। ‘লরেল ভিস্তা’ নামে কোম্পানির নাম দিয়ে ওষুধ বাজারজাত করা হতো। অথচ এর কোনো অনুমোদন নেই। তিনি আরো জানান, অভিযানের সময় ওই কোম্পানিতে কোনো কেমিস্ট পাওয়া যায়নি, মান নিয়ন্ত্রণের কোনো ব্যবস্থা নেই, ওষুধের মোড়কের গায়ে মিথ্যা তথ্য দেয়া হয়েছে, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের প্যাকেট পরিবর্তন করে নতুন প্যাকেটে ওষুধ ভর্তি করে বিক্রি করা হতো। কামরুল হাসান চকদার আগে ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতেন।

ইনাম/সময়নিউজবিডি টুয়েন্টিফোর।

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Somoynewsbd24.Com