সংবাদ শিরোনাম
মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে খেলাধুলার বিকল্প নাই; ইউএনও ইরফান উদ্দিন আহামেদ  বিজয়নগরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে বাল্যবিবাহ বন্ধ।। ৫০ হাজার টাকা জরিমানা   বিজয়নগরে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ধান সংগ্রহ শুরু আশুগঞ্জে বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি আটক ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আ’লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির জরুরি সভা অনুষ্ঠিত  ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিশ্ব মা দিবস উদযাপন  ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় র‍্যাবের অভিযানে বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ ৩ মাদক কারবারি আটক  আগামীকাল দিনব্যাপী জেলা ও উপজেলা আ’লীগ নেতৃবৃন্দের জরুরী মতবিনিময় সভা বাঁচতে চান ক্যানসার আক্রান্ত ইউপি সদস্যা শেলিনা কর্মমুখী শিক্ষার মাধ্যমে দেশ এগিয়ে যাবে; বাউবি উপাচার্য ড. সৈয়দ হুমায়ুন আখতার
শরিফপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাইফ উদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে ভিজিডি কার্ডধারীদের সঞ্চয়ের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

শরিফপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাইফ উদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে ভিজিডি কার্ডধারীদের সঞ্চয়ের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার//সময়নিউজবিডি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জের শরিফপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাইফ উদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে ভিজিডি কার্ডধারীদের সঞ্চয়ের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠোছে। টাকা ফেরত পেতে বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কছে লিখিতভাবে অভিযোগ দিয়েছেন হতদরিদ্র ভুক্তভোগীরা।
লিখিত অভিযোগপত্রে উলে­খ করেন, ২০১৭-২০১৮ বছরে শরীফপুর ইউনিয়নের বিশেষ চাহিদাগ্রস্থ ব্যক্তিদের কাছ থেকে চেয়ারম্যান কতর্ৃক ভিজিডি কার্ডের মাধ্যমে প্রতিমাসে ২শত টাকা জমা দেন। জমার দেওয়ার টাকার বিপরীতে টানা ২ বছর টাউল গ্রহণ করেন ভুক্তভোগীরা। ২ বছরে ইউপি চেয়ারম্যানের নিকট জনপ্রতি ৪ হাজার ৮শত টাকা জমা হয়। নিয়ম অনুযাযী ভিডিজি চক্র শেষ হবার ১৫ দিন পর ভোক্তভোগীদের টাকা ফেরত দেওয়ার কথা। কিন্তু বিগত ২ বছর যাবত ভোক্তভোগীরা চেয়ারম্যানের কাছে ধরণা দিয়েও এখনো পর্যন্ত জমা দেয়ার টাকা পাননি। বরং খোজ নিয়ে জানতে পারেন তাদের জমাকৃত টাকা ইউপি চেয়ারম্যান সাইফ উদ্দিন উত্তোলন করে নিয়ে গেছেন। পরে ভুক্তভোগীরা জমাকৃত টাকা ফেরত চাইতে গেলে তিনি বলেন, চাল পাইছত আবার টাকা কিসের। যা পাইছ তা নিয়েই সন্তুষ্ট থাক। না হলে পরবতর্ীতে আর কোন সুবিধা পাইবানা। চেয়ারম্যানের ব্যবহারে বিরক্ত হয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন।অভিযোগকারীরা হলেন কুলসুম বেগম, শায়েরা, আনুয়ারা, জোসনা, আনোয়ারা, শরীফা।
শরিফপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাইফ উদ্দিন চৌধুরীর  জানান, আমি কারো টাকা মেরে খাইনি। এই টাকা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কাছে আছে। তবে আমার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ মিথ্যা।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অরবিন্দ বিশ্বাস বলেন, আমরা এই বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।
ইনাম/সময়নিউজবিডি টুয়েন্টিফোর।

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© All rights reserved © 2017 Somoynewsbd24.Com