সংবাদ শিরোনাম
বিজয়নগরের বুধন্তি ইউনিয়ন পরিষদে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বিজয়নগরে বিপুল পরিমান অবৈধ জাল জব্দ।। ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় কমলগঞ্জ সাংবাদিক বাছিত খাঁনের উপর সন্ত্রাসী হামলায় থানায় মামলা দায়ের র‍্যাবের অভিযানে বিজয়নগরে এক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার সরাইলে বঙ্গবন্ধুর ৪৭তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উদযাপন বিজয়নগরে অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ।। ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বিজয়নগরে মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিচারণমূলক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বিজয়নগরে আম্বিয়া মিজান বালিকা বিদ্যালয়ে শোক দিবস পালন বিজয়নগরে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় শোক দিবস উদযাপন বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রী পরিষদের ৯৮% মন্ত্রীরা খন্দকার মোশতাক এর মন্ত্রী পরিষদে যোগ দিয়েছিলেন; উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি
বিজয়নগরে বন্যার পরিস্থিতি অবনতি।। প্রশাসনের সতর্ক অবস্থান

বিজয়নগরে বন্যার পরিস্থিতি অবনতি।। প্রশাসনের সতর্ক অবস্থান

বিজয়নগর উপজেলা প্রতিনিধি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হচ্ছে। গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানি এই উপজেলার ৯ টি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় প্রতিদিনই বাড়ছে প্লাবিত হওয়া এলাকার সংখ্যা। হরষপুর ইউনিয়নের এক্তারপুর আশ্রয়ণ প্রকল্পসহ ৯টি ইউনিয়নের ৬৮৭ টি পরিবারের ৭/৮ শত মানুষ রয়েছেন পানিবন্দী।

এদিকে, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে ৮৯টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্লাবিত এলাকার মানুষদের আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নেওয়ারও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে। এখন পর্যন্ত উপজেলার হরষপুর ও পত্তন ইউনিয়নের দুইটি আশ্রয় কেন্দ্রে নারী পুরুষ ও শিশুসহ মোট ৫৬ জন আশ্রয় নিয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রতি মুহূর্তে উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতি অবনতি হচ্ছে। উপজেলা সদরের মোড় থেকে পাহাড়পুর যাওয়ার রাস্তা, রামপুর থেকে মনিপুর বন্দর বাজারে যাওয়ার রাস্তা, নোয়াগাঁও মোড় থেকে দুলালপুর যাওয়ার রাস্তাসহ ছোট বড় ১০/১২ টি সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। বন্যা কবলিত এলাকাগুলোতে বিশুদ্ধ খাবার পানি, গো-খাদ্যসহ শুকনো খাবারের প্রয়োজন দেখা দিচ্ছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার চর ইসলামপুর, পত্তন ইউনিয়নের ভাটি অঞ্চলের বেশিরভাগ এলাকাই প্লাবিত হয়েছে। এছাড়াও হরষপুর ইউনিয়নের এক্তারপুর, হাজীপুর, হাতুরাপাড়া, বুধন্তী ইউনিয়নের বিরপাশা, চান্দুরা ইউনিয়নের কালিসীমা, রামপুর ও রসুলপুরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শাহীনূর জাহান জানান, আমরা সম্মিলিতভাবে সার্বক্ষণিক সরেজমিনে ঘুরে ঘুরে পরিস্থিতি মনিটরিং করে যাচ্ছি। পাশাপাশি বন্যায় প্লাবিত পরিবার গুলোকে নিরাপদে আশ্রয় কেন্দ্রে নেওয়ার কাজ চলছে। পাশাপাশি ত্রাণ সহায়তার জন্য আগামীকাল থেকে আমরা পানিবন্দী মানুষের কাছে যাব।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ এইচ ইরফান উদ্দিন আহমেদ বলেন, “বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা অবনতি হয়েছে। স্থানীয় চেয়ারম্যান, মেম্বার, প্রকল্প কর্মকর্তা, বিভিন্ন ইউনিয়নের ট্যাগ অফিসার সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছে ও বিস্তারিত খোঁজ খবর রেখে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করে যাচ্ছে। আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে ত্রাণ সহায়তার জন্য কথা বলেছি। আশা করছি আগামী কাল থেকেই আমরা ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম শুরু করতে পারব ইনশাআল্লাহ।
ইনাম/সময়নিউজবিডি টুয়েন্টিফোর।

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© All rights reserved © 2017 Somoynewsbd24.Com