সংবাদ শিরোনাম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের প্রতিবাদ সভায় ছাত্রলীগের বাঁধা দেওয়ার অভিযোগ বিজয়নগরে সালিশে প্রকাশ্যে নারীকে নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল।। দুই ইউপি সদস্য আটক সাবেক রাষ্ট্রপতি হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদ এর ৫ম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত কোটা আন্দোলনকারীদের বক্তব্য আদালত বিবেচনায় নেবেন; আইনমন্ত্রী আনিসুল হক চিরকুট লিখে সৌদি আরব প্রবাসীর স্ত্রীর আত্মহত্যা শতভাগ নাগরিককে শিক্ষার আওতায় এনে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে বাউবি বদ্ধপরিকর – বাউবির উপাচার্য বাউবিতে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সংবর্ধনা পাটগ্রামে রাসেলস ভাইপার সাপ সন্দেহে মেরে ফেলা হলো দুইটি সাপকে সাইলোর মতো খাদ্যভান্ডার ছিলো বলে আমরা করোনা ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মতো সমস্যা গুলো অতিক্রম করতে পেরেছি; খাদ্য মন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে শেরপুরে বাড়ছে নদ-নদীর পানি

আখাউড়া-লাকসাম রেলওয়ের ডাবল লাইনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

আখাউড়া-লাকসাম রেলওয়ের ডাবল লাইনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

স্টাফ রিপোর্টার//সময়নিউজবিডি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া-লাকসাম রেলওয়ের ডাবল লাইন নির্মাণ প্রকল্পের ৭২ কিলোমিটার ডুয়েল গেজ রেলপথের শুভ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বৃহস্পতিবার (২০ জুলাই) সকালে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তিনি ডুয়েল গেজ রেলপথের শুভ উদ্বোধন করেন। এর মধ্যদিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের পুরোটাই ডাবল লাইনে উন্নীত করা হলো।
জানা যায়,ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত ৩২১ কি. মি. রেলপথের মধ্যে আখাউড়া থেকে লাকসামের ৭২ কি. মি. ডাবল লাইনের রেলপথ ছিল না। ডুয়েলগেজের ডাবল লাইনের এই প্রকল্প শেষ হওয়াতে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অবধি পুরো রেলপথটি ডাবল লাইন হয়ে গেলো। এখন থেকে মাত্র সাড়ে ৪ ঘন্টায় ঢাকা-চট্রগ্রাম ও চট্টগ্রাম টু ঢাকা যাতায়ত করতে পারবেন যাত্রীরা।
এদিকে দেশের প্রধান রেলপথ ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে দিনে ২৩টি ট্রেন চলাচল করে। ডাবল লাইনে উন্নীত হওয়ায় ৭২টি ট্রেন চলতে পারবে।
উল্লেখ্য,আখাউড়া-লাকসাম রেলপথকে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইনে উন্নীত করার প্রকল্পটি ২০১৪ সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) অনুমোদন দেয়। এরপর ঠিকাদার নিয়োগ হয় ২০১৬ সালের ১৫ জুনে। তারপর প্রকল্পের মূল কাজ শুরু হয় ২০১৬ সালের নভেম্বরে এবং তা ২০২০ সালের জুনে শেষ করার কথা ছিলো। কিন্তু করোনার কারণে কাজ অনিয়মিত হয়ে পড়ায় প্রকল্প বাস্তবায়নের মেয়াদ এক বছর বাড়িয়ে ২০২১ সালের জুন পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়। বর্ধিত এই সময়েও পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ হয়নি। পরে তা ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়। সেটাও বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। এরপর প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়।
অপরদিকে, মেয়াদ বাড়লেও প্রকল্প ব্যয় কমে। সংশোধিত ডিপিপিতে (আরডিপিপি) প্রকল্প ব্যয় ৬ হাজার ৫০৪ কোটি থেকে পাঁচ হাজার ৫৮৩ কোটি টাকা হয়। খরচ কমে ৯২১ কোটি টাকা।
ইনাম/সময়নিউজবিডি টুয়েন্টিফোর।

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Somoynewsbd24.Com