সংবাদ শিরোনাম
আগামীকাল ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামীলীগের বিশেষ সভা ফের দুর্বৃত্তদের আগুনে পুড়লো বীর মুক্তিযোদ্ধা আল মামুন সরকারের বাসভবন সরাইলে  ৯টি সরকারি গাছ কেটে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা সরাইলে সরকারি জায়গা দখল করে মার্কেট নিমার্ণ  আখাউড়ায় ইউএনও’র হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চালু হয়েছে বিনামূল্যে বঙ্গবন্ধু অক্সিজেন সেবা  আশুগঞ্জে র‍্যাবের অভিযানে এক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ ব্রিগেডকে অক্সিজেন সিলিন্ডার দিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছেন ব্যবসায়ী-প্রবাসী সরাইলে অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহারে ৫০ লাখ টাকা জরিমানা আদায়  মাওলানা  মোবারক হোসাইন দোয়ানী পীর সাহেব আর নেই
কক্সবাজারে “বন্দুকযুদ্ধে” শীর্ষ ইয়াকারবারী নিহত

কক্সবাজারে “বন্দুকযুদ্ধে” শীর্ষ ইয়াকারবারী নিহত

সদর উপজেলা (কক্সবাজার ) প্রতিনিধি

কক্সবাজার শহরের পাহাড়তলীর ইয়াবা গডফাদার সৈয়দুল মোস্তফা ভুলু অবশেষে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে। এসময় ৪শ’ পিস ইয়াবা, ১টি দেশীয় তৈরি একনলা বন্দুক, ২টি তাজা কার্তুজ ও ৬টি গুলির খালি খোসা উদ্ধার করা হয়।
সোমবার (১৩ মে) দিবাগত রাতে ইয়াবা সম্রাট ভুলুকে গ্রেপ্তারের পর তার দেওয়া তত্ত্বের ভিত্তিতে তার ইয়াবা আস্তানায় অভিযানে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় তার সমর্থকরা। এতে ভুলুর মৃত্যু হয়।     
নিহত ভুল(৩৫) পাহাড়তলি এলাকার মাদক সম্রাট হাজী জহির আহাম্মদের পুত্র। ভুলু’র বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ৭টির অধিক মামলা রয়েছে। নিহতের পিতা জহির আহম্মদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় দুই ডজনের মতো মামলা রয়েছে।

এতোদিন ধরাছোয়ার বাইরে থাকায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করেছে স্থানীয়রা। তাদের দাবী ভুলু নিরাপদ থাকায় এলাকাতে আরো নতুন করে ইয়াবা ব্যবসায়ী জন্ম দিয়ে গেছে।ভুলু বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়ার ঘটনায় এলাকায় খুশির বন্যা বইছে।
পাহাড়তী এলাকার সমাজসেবক হাজী নুর আহাম্মদ বলেন, ‘ইয়াবা আমাদের দেশটাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় শহরের পাহাড়তলীতে ইয়াবা প্রচার প্রসার যারা বাড়িয়েছে যারা তারা অনেকে এখনো ধরা ছোয়ার বাইরে। আমরা এলাকার মানুষ হিসাবে ইয়াবা কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী করছি। স্থানীয়দের দাবি, পাহাড়তলীর অন্যতম ইয়াবা গডফাদার হচ্ছে জহির হাজীর ছেলে নিহত সৈয়দুল মোস্তফা প্রকাশ ভুলু। সেই ৫-৬ বছর আগে সর্বপ্রথম প্রকাশ্য ইয়াবা ব্যবসা শুরু করে। মাঝে মধ্যে তার বাড়িতে পুলিশের অভিযান হলেও তাকে কখনো আটক করা হয়নি। যার ফলে শূন্য থেকে বর্তমানে কোটিপতি। তার বাবা জহির হাজীও একজন মাদক সম্রাট।পাহাড়তলীর আরো কয়েকজন নাম প্রকাশ না করে বলেন, ভুলুর পিতা জহির হাজীর প্রকৃত বাড়ি মিয়ানমারে। তারা এখনে এসেছে ১৯৯০ সালের দিকে। প্রথম থেকে তার পিতা জহির হাজীর কার্যকলাপ ছিল বেপরোয়া। ভুলুসহ তার অনান্য ছেলেরা বেশির ভাগই মাদক ব্যবসায়ি ও মাদকাসক্ত। পাহাড়তলীতে সর্ব প্রথম ইয়াবা যুব সমাজের হাতে পৌছে দেয় এই ভুলু।
পৌরসভার কাউন্সিলার আশরাফুল হুদা ছিদ্দিকী জামশেদ বলেন, ‘পাহাড়তলীতে একটি সিন্ডিকেট আদিকাল থেকে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। তারাই এখন ছোট ছোট মাদক ব্যবসায়িদের নিয়ন্ত্রন করে। আমরা এসব মাদক ব্যবসায়িদের চিরতরে উচ্ছেদ চাই। একই সাথে মাদক ব্যবসায়িদের বিরুদ্ধে আরো কার্যকরি অভিযান চালানোর জন্য আহবান জানাচ্ছি।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক আনসারুল হক জানান, দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টায় ইয়াবা ভুলু পুলিশের জালে আটকা পরে। তার কাছ থেকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে।
সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) খায়রুজ্জামান বলেন, ভুলুর বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ৭টির অধিক মামলা রয়েছে। তাকে নিয়ে স্পটে গেলে সন্ত্রাসীদের সাথে বন্দুকযুদ্ধ হয় এসময় দুটি নীল রং ইয়াবার প্যাকেট(৪০০ পিস), ২টি তাজা ও ৬টি খালি কার্তুজ এবং একটি এলজি বন্দুক উদ্ধার করা হয়। 
ইনাম/সময়নিউজবিডি টুয়েন্টিফোর।    

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Somoynewsbd24.Com