সংবাদ শিরোনাম
কমলগঞ্জে ৪ মাসেও মাঠকর্মীরা ভাতার টাকা পায়নি।। ইউএনও বরাবর লিখিত অভিযোগ সোয়া দুই বছর পর চাতলাপুর অভিবাসন কেন্দ্র দিয়ে ভারত-বাংলাদেশ যাত্রী পারাপার শুরু কবি নজরুল সাহিত্য পদক পেলেন কথাসাহিত্যিক আমির হোসেন মহান মুক্তিযুদ্ধের পর পদ্মা সেতুর সফলতা জাতির জন্য এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়; আল মামুন সরকার ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার উদ্যোগে মশা নিধন কার্যক্রমের উদ্বোধন পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার আয়োজনে বর্ণাঢ্য র‍্যালী কমলগঞ্জে ট্র্যাকিং ডিভাইস সহ লজ্জাবতী বানর অবমুক্ত করন কর্মসূচি কমলগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর ১০টি উদ্ভাবনী উদ্যোগ নিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা চিকিৎসা শেষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফিরলেন আল-মামুন সরকার কমলগঞ্জে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ত্রাণ সমাগ্রী বিতরণ
ফের সমালোচনায় আসলেন প্রত্যাহার হওয়া বিতর্কিত পুলিশ অফিসার জামিরুল

ফের সমালোচনায় আসলেন প্রত্যাহার হওয়া বিতর্কিত পুলিশ অফিসার জামিরুল

স্টাফ রিপোর্টার//সময়নিউজবিডি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা ভবন থেকে জব্দকৃত মোটরসাইকেল নিয়ে যাওয়ার মধ্যদিয়ে আবারো সমালোচনায় আসলেন বিতর্কিত পুলিশ অফিসার জামিরুল ইসলাম।
এ ঘটনায় গতকাল রবিবার (১৭ নভেম্বর) রাত থেকে পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন তিনি।

এদিকে, এর আগে টাকার জন্য এক দফতরির কানের পর্দা ফাটিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে প্রত্যাহার হয়েছিলেন পুলিশের এই উপ-পরিদর্শক (এসআই) জামিরুল ইসলাম। 
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা থেকে প্রত্যাহার হওয়ার পর রাঙামাটির বরকল থানায় যোগ দেন এসআই জামিরুল। এরপর গত ১১ নভেম্বর হাইওয়ে পুলিশের সদর দফতরে যোগ দেন তিনি।
পরে গতকাল ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ইং রবিবার বিভাগীয় মামলায় সাক্ষী দিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা ভবন থেকে কাউকে না বলে জব্দকৃত একটি মোটরসাইকেল নিয়ে যান।

এ সময় থানা ফটকের পাহারায় থাকা কনস্টেবল সালাউদ্দিন তাকে বাধা দেন। কিন্তু জামিরুল সেই বাধা না মেনে মোটরসাইকেল নিয়ে চলে যান। পরে রাতে তাকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে আসেন সদর মডেল থানা পুলিশ।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) রেজাউল কবির জানান, এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত ০৩ আগস্ট ২০১৯ ইং তারিখে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় কর্মরত থাকা অবস্থায়  সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের খাকচাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দফতরি মোঃ উবায়দুল্লাকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টাসহ তাকে মারধর করেন এসআই জামিরুল ইসলাম। পরে আড়াই হাজার টাকা দিয়ে ছাড়া পান বলে অভিযোগ করেন উবায়দুল্লা। এ ঘটনায় গত ৫ আগস্ট জামিরুলকে প্রত্যাহার করা হয়।

ইনাম/সময়নিউজবিডি টুয়েন্টিফোর।

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© All rights reserved © 2017 Somoynewsbd24.Com