সংবাদ শিরোনাম
ব্রাহ্মণবাড়িয়া কারাগারে এক যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদির মৃত্যু  ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক সপ্তাহে করোনায় আক্রান্ত ১২১৮।। মৃত্যু- ৯ ও সুস্থ ১৩৪ জন  কসবায় চাঞ্চল্যকর শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি সুমনকে গ্রেফতার  ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ থেকে পড়ে আইনজীবী নিহত নবীনগরে র‍্যাবের অভিযানে ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারি আটক  করোনার সম্মুখ যোদ্ধা ডিসি হায়াত উদ-দৌলা খাঁন ও তার পরিবারের রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত  ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুকুরে পানিতে ডুবে দুই শিশুর করুণ মৃত্যু  বিজয়নগরে নিখোঁজের ৪দিন পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার  ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আজ করোনায় আক্রান্ত- ১৩৭ ও মৃত্যু -২  আজ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনায় আক্রান্ত- ৮৩ ও মৃত্যু -২ 
ফলোআপঃ- বাঞ্চারামপুরে ভাই-বোনের হত্যার পর পলাতক মামাকে ঢাকা থেকে আটক

ফলোআপঃ- বাঞ্চারামপুরে ভাই-বোনের হত্যার পর পলাতক মামাকে ঢাকা থেকে আটক

স্টাফ রিপোর্টার//সময়নিউজবিডি 
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্চারামপুর উপজেলার সলিমাবাদ গ্রামের নিজ ঘরের খাটের নীচ থেকে শিফা আক্তার- (১৪) ও কামরুল হাসান-(১০) নামে দুই  ভাই-বোনের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় তাদের মামা বাদল মিয়া-(৪০) কে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার ভোরে রাজধানী ঢাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

এর আগে গত সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার সলিমাবাদ গ্রামের প্রবাসী কামাল মিয়ার ঘরের দুটি রুমের খাটের নীচ থেকে তার কন্যা শিফা আক্তার-(১৪) ও ছেলে কামরুল হাসান-(১০) এর জবাই করা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
শিফা আক্তার বাঞ্চারামপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেনীর ছাত্রী ও কামরুল হাসান সলিমাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেনীর ছাত্র ছিলো।
পরিবারের লোকজন ও এলাকাবাসী জানান, ওইদিন নিহতদের মামা বাদল মিয়া প্রবাসী কামাল মিয়ার বাড়িতে ছিলো। লাশ উদ্ধারের পর পরই সে পালিয়ে যায়। 
এ ব্যাপারে বাঞ্ছারামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সালাহউদ্দিন চৌধুরী বলেন, নিহতদের মামা বাদল মিয়াকে ঢাকা থেকে আটক করা হয়েছে। তাকে বাঞ্চারামপুরে নিয়ে আসা হচ্ছে। তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার ভোরে বাদল মিয়াকে ঢাকা থেকে আটক করা হয়। খুনের ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি। তিনি বলেন, খুনের ঘটনায় আমরা নিহতের মা-বাবাসহ চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।
উল্লেখ্য, গত সোমবার বিকেল তিনটায় নিখেঁাজ হয় উপজেলার সলিমাবাদ ইউনিয়নের সলিমাবাদ গ্রামের সৌদি আরব প্রবাসী কামাল হোসেনের ছেলে কামরুল হাসান। পরে  কন্যা শিফাকে ঘরে রেখে কামরুলকে খুঁজতে বের হয় তার মা হাসিনা আক্তার ও বাবা কামাল হোসেন। বিকেলে তাঁরা ছেলে নিখোঁজের বিষয়ে এলাকায় মাইকিং করেন। সন্ধ্যা পর্যন্ত শিশু কামরুলের কোনো খোঁজ না পেয়ে তারা বাড়িতে এসে দেখেন কন্যা শিফাও নিখেঁাজ। পরে তারা শিফাকেও খোঁজা শুরু করেন।
পরে রাত আটটার দিকে মা হাসিনা বেগম নিজের ঘরে দুটি কক্ষের খাটের নিচ থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় শিফা ও কামরুলের লাশ পড়ে থাকতে দেখে প্রতিবেশীদের খবর দেন। খবর পেয়ে রাত সাড়ে ৯টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে তাদের লাশ উদ্ধার করে।

ইনাম/সময়নিউজবিডি টুয়েন্টিফোর।

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Somoynewsbd24.Com