সংবাদ শিরোনাম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাফলার পেচিয়ে শ্রমিকের মৃত্যু কমলগঞ্জে চা গাছের উৎপাদন বাড়াতে চলছে প্রুনিং উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপির জন্মদিন উপলক্ষে “লেখক ও সংস্কৃতিসেবী সমাবেশ” অনুষ্ঠিত বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সদস্য পদ থেকে আক্কাস আলী, আল আমীন এবং দিলসাদ ইয়াসমিনকে অব্যাহতি মোকতাদির চৌধুরী এমপির জন্মদিনে স্বেচ্ছাসেবক লীগের ৩ দিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও শিশুদের মাঝে শীতের জ্যাকেট বিতরণ বিজয়নগর ইউএনও’র মোবাইল নাম্বার ক্লোন করে চেয়ারম্যানের কাছে চাঁদা দাবী বর্ণাঢ্য আয়োজনে তিতাস জনপদের সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব কবি জয়দুল হোসেনের জন্মদিন উদযাপন বিজয়নগরে গাড়ীচাপায় নিহত-২।। আহত-১ মৌলভীবাজারে আশার শাখা ব্যবস্থাপকদের অর্ধ-বার্ষিক সমন্বয় সভা বকেয়া বেতন ভাতাসহ বিভিন্ন দাবীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে শিক্ষকদের মানববন্ধন
মোকতাদির চৌধুরী এমপির শারীরিক অবস্থার উন্নতি

মোকতাদির চৌধুরী এমপির শারীরিক অবস্থার উন্নতি

স্টাফ রিপোর্টার, সময়নিউজবিডি

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা  আওয়ামী লীগের সভাপতি যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপির শারীরিক অবস্থার অনেকটা উন্নতি হয়েছে। 
গত রবিবার (০৪ আগস্ট) বিকেলে সংসদ ভবনে তাঁর নিজ কার্যালয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে তাৎক্ষণিক ল্যাবএইড হাসপাতালের সিসিইউতে ভর্তি করা হয়। তিনি তিন দিন ধরে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাঁর শারীরিক অবস্থার অনেক উন্নতি হয়েছে। তবে ডাক্তারের পরামর্শে এখনও তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
উল্লেখ্য, উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী ১৯৬৯ সালে ঢাকা কলেজ ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৭০ সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৭১ সালের মুজিব বাহিনীর অধীনে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করলে পাকিস্তানী বাহিনীর গুলিতে তাঁর একটি পা আঘাতপ্রাপ্ত হয়।

তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটিতে দুইবার সদস্য মনোনীত হন। বর্তমানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩(সদর-বিজয়নগর) আসন থেকে পরপর ৩ বার নির্বাচিত হয়েছেন । নিজ সংসদীয় আসনে স্কুল-কলেজ, মসজিদ – মাদ্রাসা, মন্দির, রাস্তা ব্রীজ কালভার্ট সহ অবকাঠামোগত ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন যা বিগত সময়ে কোন জনপ্রতিনিধি করতে পারেনি। তাঁর আমলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জনপদে সন্ত্রাস চাঁদাবাজ, ছিনতাইকারী ও ভূমিদস্যু সহ সবধরনের অপরাধীরা গাঁ ঢাকা দিতে বাধ্য হয়েছেন। এতে করে শান্তিপূর্ণ জনপদ হিসেবে পরিনত হয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

ইনাম/সময়নিউজবিডি টুয়েন্টিফোর।     

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Somoynewsbd24.Com