স্টাফ রিপোর্টার//সময়নিউজবিডি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছুরিকাঘাতে তৌফিক ভুইয়া-(৩০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ঘাতক আল আমিন শিপনসহ দুজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন এলাকাবাসী। ঘাতক আল আমিন শিপন (২২) উপজেলার হরষপুর ইউনিয়নের সুনামুড়া গ্রামের মৃত জাকির হোসেনের ছেলে।
আজ বুধবার (০২ এপ্রিল) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার পত্তন ইউনিয়নের আদমপুর গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটেছে।
নিহত তৌফিক ভুইয়া বিজয়নগর উপজেলার আদমপুর গ্রামের ঘাবন্নীমোড়ার মোঃ আরু ভুইয়ার ছেলে। তিনি রাজ মিস্তিরি কাজ করতেন।
স্থানীয়রা জানান, উপজেলার পত্তন ইউনিয়নের আদমপুর গ্রামের হারুন ডাক্তারের বাড়ির জামে মসজিদের সামনে একই গ্রামের ঘাবন্নীমোড়ার বাসিন্দা শাহীনকে পূর্ব সূত্রতার জেরধরে ঘাতক পিকআপ চালক বকাঝকা করলে ঘটনাস্থলে উপস্থিত নিহত তৌফিক প্রতিবাদ করেন। এসময় ঘাতক খুনি তার সাথে থাকা ভেনার (ধারালো চাকু) দিয়ে তৌফিকের বুকে উপর্যুপরী আঘাত করলে গুরুতর আহতাবস্থায় তৌফিককে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
জানা যায়, আদমপুর ঘাবন্নীমোড়ার বাসিন্দা শাহীনের সাথে একই উপজেলার হরষপুর ইউনিয়নের সোনামোড়া গ্রামের বাসিন্দা ঘাতক খুনির পূর্ব বিরোধ ছিলো। শাহীনের শ্বশুর বাড়িও সোনামোড়া গ্রামে। শাহীনের শ্বশুর বাড়ি ও ঘাতকের বাড়ি সোনামোড়া গ্রামের পাশাপাশি বাড়ি। ঘাতক খুনির বাড়ির একটি মামলায় স্বাক্ষী ছিলো শাহীন। শাহীন ঘাতকদের বিপক্ষে স্বাক্ষী দিয়েছিলো। সেই ক্ষোভে আজ দুপুরে শাহীনকে জিজ্ঞেস করতে শাহীনের বাড়িতে আসেন ঘাতক এই যুবক। বাড়িতে না পেয়ে পাশের মসজিদে আছেন জানতে পেয়ে ঘাতক যুবক মসজিদের সামনে গিয়ে শাহীনকে পেয়ে বকাঝকা করলে প্রতিবাদ করেন তৌফিক ভুইয়া। আর এ প্রতিবাদই তৌফিকের জন্য মৃত্যুর কারন হিসেবে মন্তব্য করেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
এ ব্যাপারে বিজয়নগর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রওশন আলী জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পিকআপ চালক ও অটোরিকশা চালককে আটক করা হয়েছে।
ইনাম/সময়নিউজবিডি টুয়েন্টিফোর।
Leave a Reply